Home / অন্যান্য / ড’গন গোত্রের মানুষরা নির্ভ’য়ে কুমি’রের সঙ্গে খেলেন

ড’গন গোত্রের মানুষরা নির্ভ’য়ে কুমি’রের সঙ্গে খেলেন

ডগন গোত্র আফ্রি’কার সবচেয়ে ঐতিহ্যপূর্ণ গোত্রগুলোর একটি। মালির যে অঞ্চল’টিতে এদের বসবাস, তা ডগ’ন রাজ্য নামে পরিচিত। ডগন রাজ্যে কু’মির একটি পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবে’চিত।কথিত আছে, ডগনদের একজন পূর্বপুরুষ’কে কুমির নদীতে ভেসে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছিল। সে সময় থেকেই এরা কুমির’কে নিজেদের প্রতিবিম্ব মনে করে। ডগন’দের বিশ্বাস একজন ডগন শিশুর জন্মের বিপরীতে একটি কু’মির শিশুরও জন্ম হয়। ফলে কুমির প্রতি আতি’থেয়তা এদের সামাজিক কর্তব্যে পরিণত হয়েছে।

মা’নুষখে’কো পৃথিবীব্যা’পী প্রাণীটির ব্যাপক কুখ্যাতি রয়েছে। তবে বিস্ময়করভাবে এখানকার কুমিরগুলো অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির। কিছু কুমির এতোটাই বন্ধুসুল্ভ যে ডগন শিশুরা এদের পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়ায়। কুমির অ’ধ্যুষিত খালগুলোতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে সাঁতার কাটে। মালির পার্শ্ব’বর্তী দেশ বুর্কিনা ফা’সোতেও কুমির ও মানুষের এক অসাধারণ মেল’বন্ধন গড়ে উঠেছে।

দেশটির বাজু’লে নামক গ্রামটি বন্ধুসুল্ভ কুমিরদের জন্য বি’শ্বখ্যাত। শত শত বছর ধরে এখানকার মানুষ কুমিরের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করে আসছে। গ্রামবাসীর ভাষ্যমতে, প্রাচীনকালে এখানকার বাসি’ন্দারা যখন হৃদটি থেকে জল সংগ্রহে আসতো, কুমির কখনোই তাদের আক্রমণ করতো না। কুমিরগুলো নিরাপদে জল সংগ্রহ করতে দেয় বলেই, গ্রামবাসীর বংশধারা চলমান রয়েছে।

এখান’কার মানুষ শিশুকাল থেকেই কুমিরদের সঙ্গে সৌ’হার্দপূর্ণ আচরণ করতে শেখে। ফলে কুমিরগুলো হয়ে উঠেছে শিশু-কিশোরদের খেলার সাথী। বুর্কিনা ফাসো থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরে ‘চাঁদের গেল্টা ডি’আর্কেই হৃদে আরেক দল শান্তিপ্রিয় কুমিরের বসবাস। সাহারা মরুভূমির এই ধু ধু প্রান্তরে কু’মিরের দেখা পাওয়া অত্যন্ত বিস্ময়কর।

বিদিয়েত যাযাবরগণ তাদের উট’গুলোকে জল পান করানোর উদ্দেশ্যে এখানে নিয়ে আসে। এরা মনে করে, কুমি’রদের রক্ষা করা এদের জন্য পবিত্র দ্বায়িত্ব। যদিও এই মহান দ্বায়িত্বের সঠিক কারণ এদের অজানা। হৃদ’টির পার্শ্ববর্তী স্যাবু গ্রামের ৪০০ মানুষের জন্য কুমিরের যত্ন নেয়া ধর্মীয় সংস্কৃতির অংশ। এই গ্রামে ‘কথিত আছে, বহুকাল আগে এদের একজন পূর্ব’পুরুষ তৃষ্ণায় মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছান রোগব্যাধি মুক্ত জীবন এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গ্রামবাসী মাঝে মাঝেই কুমিরদের জন্য ছাগল ও মুরগি উৎসর্গ করে থাকেন। এখানেও কুমি’রের সঙ্গে মানুষের সহাব’স্থান অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ।

গ্রামের বা’সিন্দারা নির্ভয়ে কুমিরগুলোকে স্পর্শ করতে পারেন। অফ্রিকা’র এই অঞ্চলটির কুমির-কেন্দ্রিক উপকথা’গুলোর সত্যতা নিয়ে সংশয় থাকতে পারে। তবে কুমি’রের সঙ্গে এ ধরনের সম্পর্ক প্রাণীর প্রতি মানুষের ভা’লোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। অসাধারণ এই ভালোবাসা জয় করেছে হিং’স্রতাকেও।

Check Also

৬৩ কেজি আস্ত খাসির বিরিয়ানী রান্না করে খেয়ে ভাইরাল দাদুরা(ভিডিও)

সোস্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে অনেকেই হিরো আবার অনেকেই হয়েছে জিরো যারা হিরো হয়েছে তাদের মধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *