Home / অন্যান্য / অবৈধ সিমে সক্রিয় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা’

অবৈধ সিমে সক্রিয় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা’

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি মোবাইল সিম ব্যবহারের মাত্রা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা সিম কীভাবে রোহিঙ্গারা ব্যবহার করছেন তা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ।

বিশ্বস্ত সূত্রমতে, প্রায় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা ব্যবহার করছে এ নিবন্ধন করা সিম। এসব সিমের মধ্যে রয়েছে রবি, এয়ারটেল, টেলিটক, বাংলালিংক ও গ্রামীণ ফোন কোম্পানির। ফলে মোবাইলের সাহায্যে মাদক পাচার, খুন, অপহরণ, ছিনতাই, হুন্ডি, মুক্তিপণ আদায়, চুরি, ডাকাতির মতো অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

রোহিঙ্গাদের হাতে টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি সিম তুলে দিচ্ছেন স্থানীয়রা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের এলাকায় কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই এসব সিম বিক্রি করতে দেখা যায়। এসব সিম সরবরাহ করছে উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী এবং টেকনাফের মোচনী, শালবাগান, হোয়াইক্যাং ও হ্নালীবাজার এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা।

এসব ব্যবসায়ী কৌশলে বাংলাদেশিদের এনআইডি ব্যবহার করে গোপনে সিমগুলো নিবন্ধন করে রাখে। পরে প্রতিটি সিম ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকায় রোহিঙ্গাদের কাছে বিক্রি করে। এসব কাজে রয়েছে একটি সিন্ডিকেট। কোম্পানির কাছ থেকে সিম সংগ্রহ করার পর নিবন্ধন করে তা রোহিঙ্গাদের হাতে তুলে দিচ্ছে টাকার বিনিময়ে। এছাড়া মিয়ানমার সীমানার কাছাকাছি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবহার হচ্ছে এমপিটি সিম। সহজ নেটওয়ার্ক থাকায় রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি অনেক বাঙালিও এমপিটি সিম ব্যবহার করছে।

বালুখালী ক্যাম্পে বসবাসরত মো. নুর জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দিয়ে সিমসহ মোবাইল সেট কিনেছেন। কুতুপালং ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা ওসমান গনির মাধ্যমে তিনি সিমসহ ফোন কিনেছেন। এজন্য কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হয়নি। কাগজপত্র ছাড়াই ২০১৮ সালে দোকান থেকেই সিম কিনেছেন তিনি।

উখিয়ার লম্বারবিল রোহিঙ্গা বস্তিতে আশ্রয় নেয়া শফিকুল মোস্তফা জানান, কুতুপালং বাজারের এক দোকান থেকে সিমসহ মোবাইল সেট কিনেছেন তিনি।
এসব বিষয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদের ফোনে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃDailyBangladesh

Check Also

শেকল ছেরে হাতির তান্ডব ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি।

লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় শেকল ছিঁড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে মাহুতের একটি হাতি। রোববার দুপুরে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের তিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.