Breaking News
Home / অন্যান্য / ধানের জমিতে মাছ চাষ করে লাখপতি কৃষক।

ধানের জমিতে মাছ চাষ করে লাখপতি কৃষক।

ধান বাংলাদেশের কৃষির মাঝে সবচেয়ে মূল্যবান এবং প্রয়োজনীয় একিটি কৃষি ফসল যা খুবি প্রয়োজন বাংলাদেশের জন্য তবে ধান চাষ দেশের সব জায়গায় হলেও দেশের কিছু অঞ্চলে ব্যাপক ভাবে হয়ে থাকে অনেক কৃষক প্রতি সিজনে ধান বিক্রি করে আয় করে থাকেন ।

আমাদের দেশে ধান কে প্রধান করে অনেক কৃষক আবার হুমকির সম্মুখীন হয়েও থাকে ধানের বাজার দাম কম এবং বেশীর জন্য হয়ে থাকে এমন সব কান্ড । তাই একই সাথে যদি একটি নয় ধানের পাশাপাশি আরোিএকটি ফসল করা যায় তাহলে বিষয়টা হয়তো মন্দ হতোনা ।

মাছ জলাশয়ের পানি ঠিকমতো খাবার আর জলাশয়ের পানি থাকলে মাছ বেচে থাকতে পারে তবে যদি পানিতে ধান ক্ষেত আর ধানক্ষেতে মাছ বিষয়টা কেমন হয় , এমন উদ্ধাবন করছে বাইরের দেশগুলোতে হচ্ছে একই সাথে মাছ ও ধান চাষ।

তবে আমাদের দেশে এই চাষ পদ্ধতিটা এখনো কৃষকের দেড়গোড়ায় পৌছানো যায়নি তাই হয়তো আমাদের দেশে এই পদ্ধতি ধান ও মাছ চাষ সবাই করতে পারছেনা বা করেনা তবে উন্নত দেশের কৃষকেরা এমনটাই করে থেকে থাকে ।

চলুন পদ্ধতিটা যেনে নেয়া যাক: ধান জমিতে রুপন করার পর ধানের বয়স ১ মাস হয়ে গেলে সেখানে ধান ক্ষেতের জমির অনুযায়ী চারপাশে গর্ত করতে হবে এবং সেই গর্ত পানি দ্ধারা পূর্ন করে যদি মাছ ছেরে দেয় হয় তাহলেই হয় ।

আর মাছ ছারার পর বাড়তি কোনো খরচ নেই বললেই চলে কারন দিনে মাত্র একবার মাছকে খাবার দিলেই হয়ে যায় । তবে সাবাধানতা অবলম্বন করতে হবে যেনো জমিতে সবসময় দেড় ফুট পানি থাকে ।

আর জমিতে পানি কমে গেলেও কোনো সমস্যা নেই কেনোনা মাছ যেখানে গর্ত করা বেশী পানি থাকে সেখানে চলে যায় । তবে সার কিটনাশক ব্যাবহার এর কোনো প্রয়োজন নাই আপনি নরমাল ধান করেন বা হাইব্রীড করেন ।

কারন জমিতে মাছেরা যা খাবার খাবে তা বের করে দিলে গাছের গোড়ায় তা বিক্রিয়া করে সারে রুপান্তর হয়ে যায় তাই অতিরিক্ত সার বা কিটনাশক এর প্রয়োজন পরেনা ।

ধান বড় হতে হতে মাছ ও বড় হয়ে যায় আর তখনি ধান কাটার সাথে সাথে সব মাছ ধরে বিক্রি করা যায় এভাবেই লাভবান হয় একজন কৃৃষক ।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

Check Also

এক সাথে ৫ জোরা জমজ সন্তান জন্ম দিলো সৌদি নারী।

দুই জন নয় তিন জন নয় একসাথে একেবারে ৫ জোড়া যমজ সন্তান! গেলো সপ্তাহে বিরল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *