Home / অন্যান্য / একাই ১১ ডোজ করোনার টিকা নিয়েছেন তিনি , ১২তম ডোজ নেওয়ার সময় ধরা।

একাই ১১ ডোজ করোনার টিকা নিয়েছেন তিনি , ১২তম ডোজ নেওয়ার সময় ধরা।

চলছে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে তাণ্ডব। এরই মধ্যে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে করোনা প্রতিরোধে টিকা নেওয়ার জন্য।এবার এক অবাক করার মতো কাণ্ড ঘটিয়েছে ভারতের এক বাসিন্দা। বিহারের বাসিন্দা ব্রহ্মদেব মণ্ডল করোনার ১১ ডোজ টিকা নেওয়ার পরে ১২ তম ডোজ নেওয়ার সময় হাতে নাতে ধরা পরেন।

অবশ্য সরকারি কর্তারা এখন পর্যন্ত আট ডোজের কথা স্বীকার করেছেন। খবর বিসির।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা আছে, ব্রহ্মদেব মণ্ডল ৬৫ বছর বয়সী এ ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত ডাকপিয়ন।

শারীরিক ব্যথা থেকে মুক্তি পেতেই ১১ ডোজ টিকা নিয়েছেন এবং এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন ব্রহ্মদেব। গত সপ্তাহে ১২তম ডোজ নেওয়ার সময় ধরা পড়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে বিহারের মাধেপুরা জেলার সিভিল সার্জন অমরেন্দ্র প্রতাপ শাহী বলেছেন, আমরা এরই মধ্যে প্রমাণ পেয়েছি, তিনি চার জায়গা থেকে আটটি ডোজ নিয়েছেন।

গত বছরের ১৬ জানুয়ারি টিকাদান শুরুর পর থেকে ভারত মূলত স্থানীয়ভাবে তৈরি দুটি টিকা- কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন ব্যবহার করছে।

এগুলোর দুই ডোজের মধ্যে যথাক্রমে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ ও চার থেকে ছয় সপ্তাহের ব্যবধান রাখার নিয়ম।

ভারতজুড়ে ৯০ হাজারের বেশি টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা দেওয়া হচ্ছে, যার বেশিরভাগেই সরকার পরিচালিত।

এগুলোর মধ্যে অনেক কেন্দ্র রয়েছে যেখানে আগে থেকে অনলাইন নিবন্ধন না করে সরাসরি হাজির হলেই টিকা দেওয়া হয়।

নিবন্ধনের জন্য সুবিধাভোগীদের বায়োমেট্রিক কার্ড, ভোটার আইডি বা ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্তত ১০টি নথি জমা দিতে হয়।

এসব তথ্য একত্রিত করে ভারত সরকারের টিকা সংক্রান্ত পোর্টাল কোউইনে আপলোড করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ব্রহ্মদেব মণ্ডল একই দিন আধা ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা নিয়েছিলেন এবং সেই তথ্যও পোর্টালে রয়েছে।

সরকারি ওয়েবসাইট হিসাব রাখতে না পারলেও ব্রহ্মদেব কাগজে লিখে প্রত্যেকটি ডোজ নেওয়ার তারিখ ও সময় হিসাব রাখতেন। তার দাবি, তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ১১ ডোজ টিকা নিয়েছেন।

এ বৃদ্ধ জানান, তিনি মাধেপুরার কেন্দ্রগুলো ছাড়াও পাশের দুটি জেলায় গিয়ে টিকা নিয়েছেন, এর একটি অন্তত ১০০ কিলোমিটার দূরে। পোর্টালে নিবন্ধনের জন্য তিনি ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়পত্র ব্যবহার করতেন।

ব্রহ্মদেবের দাবি, তিনি ডাকপিয়ন হওয়ার আগে হাঁতুড়ে চিকিৎসা করতেন, তাই ‘অসুখ-বিসুখ সম্পর্কে কিছুটা জানেন’। তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার পর আমার শরীরের ব্যথা ও যন্ত্রণা চলে যায়। আগে হাঁটুতে ব্যথা হতো এবং লাঠি নিয়ে হাঁটতাম। এখন আর হয় না। আমি ভালো আছি।

Check Also

শেকল ছেরে হাতির তান্ডব ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি।

লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় শেকল ছিঁড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে মাহুতের একটি হাতি। রোববার দুপুরে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের তিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.