Home / অন্যান্য / ৩৫ কেজি ওজনের আলু কত টাকায় বিক্রি হলো ?

৩৫ কেজি ওজনের আলু কত টাকায় বিক্রি হলো ?

মাগুরায় এক হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে ৩৫ কেজি ওজনের একটি আলু। মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সদর উপজেলার ইছাখাদা বাজারে স্থানীয় কৃষক মীর আজাদ এক ব্যবসায়ীর কাছে আলুটি বিক্রি করেন।

মীর আজাদ জানান, দুই বছর আগে বাড়ির আঙিনায় মুন্সীআলু (স্থানীয় নাম) চাষ করি। পাশের গ্রাম নড়িহাটির কৃষক ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে ওই আলুর বীজ এনে রোপণ করি। প্রথম বছর একটি আলু ২২ কেজি হয়। সেটি আশপাশের মানুষের মাঝে বিলি করি। সেখান থেকে আরও চারটি বীজ রোপণ করি। সেখান থেকে একটি আলু আজ (মঙ্গলবার) তুলেছি। যার ওজন ৩৫ কেজি।

তিনি আরও জানান, আলুটি স্থানীয় ইছাখাদা বাজারে নিয়ে গেলে ফরিদপুর থেকে এক পাইকার এসে ৩০ টাকা কেজি দরে এক হাজার ৫০ টাকায় আলুটি কিনে নেন। এসময় আলুটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষ ভিড় করেন।

ইছাখাদা বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী কাজী সাইফুল ইসলাম জানান, আলুটি দেখে হতবাক হয়েছি। এতো বড় আলু আমি আগে কখনো দেখিনি।

প্রতিবেশী জাহিদুল ইসলাম জানান, বাড়ির পাশে মুন্সীআলুর চাষ করেন মীর আজাদ। গত বছর একটি ২২ কেজি ওজনের আলু মাটি থেকে তুলেছিল সেই আলুর কিছু অংশ আমাকে দিয়েছিলেন। আজ আরেকটি আলু তোলা হয়েছে সেটির ওজন অনেক বেশি।

আলু ক্রেতা তপন বিশ্বাস জানান, এধরনের আলু খুবই কম দেখা যায়। আমি এটা পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। ফরিদপুরে নিয়ে যাবো। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ জানান, সাধারণত এ ধরনের আলু পতিত জমিতে বা বাড়ির আঙিনায় দেখা যায়। বৈশাখ মাসে এ আলুর বীজ রোপণ করতে হয়। মাটির নিচে হওয়া এ আলু চাষে তেমন কোনো খরচ হয় না। এক বছর বা এর অধিক সময়ের ব্যবধানে এ আলুর ওজন ৪০ থেকে ৫০ কেজিও হয়।

Check Also

শেকল ছেরে হাতির তান্ডব ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি।

লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় শেকল ছিঁড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে মাহুতের একটি হাতি। রোববার দুপুরে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের তিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.